Saturday, October 24, 2015

পেলে ৭৫ - সানতোস এখন যেমন


 আমরা ভারতীয়রা ভাবতেই পারব না  এমন! এত সম্মানিত কারও নামের ওপর পা ফেলে চলে যাবে নশ্বর কোনও মানুষ, প্রশ্ন তুলব। কিন্তু, সানতোস-কর্তৃপক্ষ এভাবেই দেখিয়েছেন যে, ‘এই পথে হেঁটেই আমি পেলে হয়েছিলাম’! সানতোস ক্লাবের বারান্দায় এভাবেই খোদিত সেই সব ফুটবলারদের নাম যাঁরা গর্বিত করেছেন ফুটবলকে। মন্দির ভেবে নিলে পা ফেলতে হবে দেখেশুনে। অবশ্য, এমন মন্দিরই বা আর কোথায় যেখানে সাক্ষাৎ অধিষ্ঠান ফুটবল-ঈশ্বরের! 
কাশীনাথ ভট্টাচার্য


বলা হচ্ছে, পেলে আজ পঁচাত্তর। ঠিক কি?
জন্ম ১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর। অর্থাৎ, ৭৫ পূর্ণ করে আজ ছিয়াত্তরে পা দিলেন ফুটবল-সম্রাট। তবে, অনাবশ্যক বিতর্কে ঢুকে লাভ কী! আজকের দিন তো উৎসবের। লিখেই বা হবে কী? পেলে সম্পর্কে দুনিয়া জুড়ে এত লেখা, এত নামীদামি মানুষ বলেছেন, লিখেছেন। আলাদা করে লিখে প্রমাণেরও কিছু নেই।

গ্যালারির এই অংশে ধরে রাখা হয়েছে ‘সময়’! যখন পেলে খেলতেন, যেভাবে দর্শকাসন চিহ্নিত হত সানতোসের মাঠে, আজও ঠিক সেভাবেই রাখা আছে, সযত্ন
বলা হয়, একটা ছবি নাকি হাজার লাইনের চেয়েও বেশি কথা বলতে পারে। কিছু ছবি তা-ই দেওয়া থাক। গত বছর, ২০১৪-র জুলাই মাসে, এক বরিষণমুখরিত সকালে গিয়েছিলাম সানতোসে। সেই মাঠ আর সানতোসে পেলের জাদুঘর দেখতে। বিশ্বকাপ শুরুর সময় যে জাদুঘর বন্ধ ছিল, খুলেছিল বিশ্বকাপের মাঝামাঝি। সেই সকালের কিছু ছবি।

কালো গ্যালারিতে সাদা চেয়ার এমনভাবে সাজানো, ফুটে উঠেছে ক্লাবের নাম। ভারতে কবে আমরা দেখব এমন?

আর হ্যাঁ, ধরে নিলাম না হয়, পেলে আজ ৭৫। বাঙালি বিরাট সম্মান দিতে পারে পেলেকে, আজ থেকে ‘স্যান্টোস’ বলাটা ছেড়ে দিয়ে। কালো মানিক-কে সাদাদের উচ্চারণে দেখবেন না, প্লিজ!

সানতোসের সেই মাঠ এখন ঠিক যে রকম
Post a Comment